ব্যাংকের মাধ্যমে দান
সরাসরি জমা অথবা বিইএফটিএন
আল-নূর জামে মসজিদের জন্য আপনার প্রতিটি দান আখিরাতের পাথেয়। আজ যে টাকা আপনি আল্লাহর ঘরে দিচ্ছেন, তা ইনশাআল্লাহ মৃত্যুর পরও সওয়াবের ধারা হয়ে আপনার আমলনামায় প্রবাহিত হবে।
আপনার সব দান সরাসরি আল-নূর জামে মসজিদের নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় খরচে ব্যয় করা হয়।
সরাসরি জমা অথবা বিইএফটিএন
মোবাইল ব্যাংকিং — পার্সোনাল বিকাশ
দান সম্পন্ন হওয়ার পর লেনদেনের স্ক্রিনশট বা রসিদটি সংরক্ষণ করুন এবং কমিটির একজন সদস্যকে পাঠিয়ে দিন। এতে আপনার দান দ্রুত নথিভুক্ত করা সহজ হয় এবং হিসাব থাকে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল।
وَمَا تُنفِقُواْ مِن خَيۡرٖ فَلِأَنفُسِكُمۡۚ
"তোমরা যে কল্যাণই ব্যয় করো, তা তোমাদের নিজেদেরই উপকারে আসে; আর তোমরা ব্যয় করো কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য।" — সূরা আল-বাকারা ২:২৭২
আপনার দানের শতভাগ আল-নূর জামে মসজিদের নির্মাণকাজ, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যয়ে ব্যবহার করা হয়। কমিটি নিয়মিতভাবে আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ ও পর্যালোচনা করে, যাতে সবকিছু স্বচ্ছ থাকে।
জি, অবশ্যই পারেন। মৃত পিতা-মাতা, স্বামী/স্ত্রী বা প্রিয়জনের নামে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দান করা যায়। আল্লাহ চাইলে এর সওয়াব তাঁদের রূহের কাছে পৌঁছে যাবে।
না, কোনো ন্যূনতম সীমা নেই। এক টাকা হোক বা এক হাজার — আল্লাহর কাছে আন্তরিক দানের মূল্য অনেক। আপনি যতটুকু পারেন, খাঁটি নিয়তে দিন; আল্লাহ তাতে বরকত দান করবেন।
আমাদের নির্মাণকাজের বিভিন্ন পর্যায়ে আপনার অবদান দেখুন। প্রতিটি পাথর, প্রতিটি ইট — আপনার দানের সাক্ষ্য বহন করে।
নির্মাণ অগ্রগতি দেখুন